Breaking News

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা 2023

 

 

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা 2023: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা। প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বন্ধ থাকায় পৃথক এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।চলতি বছরের ৫ম শ্রেণি সমাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

 

বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও গণিত—এই চার বিষয়ে এক দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২ ঘণ্টায় শিক্ষার্থীদের ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তবে সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না।

যারা স্কুলের বার্ষিক মূল্যায়নে ভালো করেছে, সেখান থেকে শীর্ষ ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। তবে কেউ পরীক্ষা না দিতে চাইলেও তাকে বাধ্য করা হবে না। ইউনিয়ন-ভিত্তিক এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালুর পর এর ভিত্তিতেই বৃত্তি দেয়া শুরু হয়। কিন্তু গত দুই বছর পিইসি পরীক্ষা হয়নি। সরকার ঘোষণা করেছে, এ দুই পরীক্ষা আর হবে না। ফলে বন্ধ ছিল প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি।

 

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি পাঠদান বন্ধ। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ খ্রিস্টাব্দের ছুটি তালিকায় গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে নির্ধারিত ছিল। শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রদানের সুবিধার্থে পূর্বে নির্ধারিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে’র পরিবর্তে ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই সমন্বয়পূর্বক নির্ধারণ করা হলো।

এমতাবস্থায়, আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ৬ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আযহা এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

 

আরো পড়ুন পুরনো নিউজঃ

১৯ দিন বন্ধ হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়! প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হতে পারে। আগামী দু’একদিনের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করতে পারে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে অফিস কার্যক্রম চালুর জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও আংশিকভাবে খুলে দেয়ার চিন্তাভাবনা চললেও সে চিন্তা থেকে সরে এসেছে অধিদপ্তর।

 

বিদ্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, প্রশাসনিক কাজের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হবে না, বরং করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য এগুলো বন্ধ রাখা হবে। শিক্ষক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এমন অবস্থায় প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই পরীক্ষা দেবে— এমন চিন্তাও সরকারের রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দাপ্তরিক গুরুত্বপূর্ণ তেমন কোনো কাজ থাকে না। প্রতিষ্ঠান খোলার প্রয়োজনও পড়ছে না। আংশিক খোলার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হলেও তা বাতিল করা হয়েছে। করোনার এমন পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মাঠে থেকে প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মনিটরিং করছেন, তাই নতুন করে শিক্ষকদের কোনো দায়িত্ব দেয়া হবে না।

 

তিনি আরো বলেন, ঈদুল ফিতরের জন্য আগামী ৬ জুন পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছুটি রয়েছে। অন্যদিকে সরকারিভাবে ১৫ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। তবে ১৫ জুনের মধ্যে করোনা মহামারি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো নমুনা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয়ও খোলা হবে না। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে ছুটি বৃদ্ধি করে নতুন নির্দেশনা জারি করা হবে। সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার জন্য বলা হতে পারে।

 

মহাপরিচালক বলেন, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সংসদ টেলিভিশনে শ্রেণিপাঠ সম্প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে প্রতিদিন শিক্ষকরা বাসার কাজ দিচ্ছেন। বাসায় বসে অভিভাবকদের সহায়তায় সাময়িক পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তাই করোনার পরিস্থিতির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের ওপর তার প্রভাব পড়বে না।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, আমাদের মূল কাজ বাচ্চাদের পড়াশোনা করানো। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠান খোলার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। উপবৃত্তির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বাভাবিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে চলছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি এবং কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সেটিও জানা যাচ্ছে না। তাই আমরা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। এ বিষয়ে অধিদপ্তর সিদ্ধান্ত নেবে।

 

বর্তমান করোনা-পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নানাভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। টেলিভিশনে পাঠদান সম্প্রচার নিয়ে প্রতিদিন শিক্ষকদের মনিটরিং করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ কারণে নতুন কোনো কাজে শিক্ষকদের যুক্ত করতে রাজি নয় প্রাথমিক শিক্ষার নীতিনির্ধারকরা।

 

এদিকে, সোমবার ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো প্রশাসনিক কাজে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস সীমিত আকারে খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অসুস্থ ও গর্ভবতী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

Check Also

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ২০২২ যেভাবে জানবেন | dpe রেজাল্ট

নিয়োগ প্রার্থীদের জন্য সুখবর, সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে পদ বেড়েছে ৫০০০। ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত …