Breaking News

প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ভর্তি ২০২২ । মাস্টার্স ১ম পর্ব ভর্তি ২০২২

 

প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ভর্তি ২০২২ । মাস্টার্স ১ম পর্ব ভর্তি ২০২২

প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ভর্তি ২০২২ । মাস্টার্স ১ম পর্ব ভর্তি ২০২২ । মাস্টার্স প্রিলিমিনারি ভর্তি ২০২২ । মাস্টার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২১-২০২২ । মাস্টার্স প্রিলি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২ । প্রিলি মাস্টার্স ভর্তি ২০২২ : আপনি যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স / মাস্টার্স ১ম পর্ব (নিয়মিত) প্রোগ্রামে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যবলি জানতে চান তাহলে সঠিক জায়গায় এসেছেন। এখানে আপনি মাস্টার্স ১ম পর্ব প্রোগ্রামের ভর্তি কবে শুরু হবে তা সহ মাস্টার্স প্রিলি ভর্তি সংক্রান্ত খুটিনাটি সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ভর্তি ২০২২ । মাস্টার্স ১ম পর্ব ভর্তি ২০২২
সুপ্রিয় বন্ধুরা! আমরা এই পোষ্ট থেকে জানবো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাস্টার্স ১ম পর্ব (নিয়মিত) বা প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স (নিয়মিত) ভর্তির যোগ্যতা, শর্তাবলি, আবেদন পদ্ধতি, চূড়ান্ত ভর্তি পদ্ধতি, ভর্তি হতে যেসব কাগজপত্র লাগবে তা সহ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাবলি। চলুন নিম্নে প্রিলি মাস্টার্স (নিয়মিত) ১ম পর্ব প্রোগ্রামে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাবলি জেনে নেই :

প্রাথমিক আবেদন শুরু ১৬ মার্চ ২০২২ হতে
প্রাথমিক আবেদন শেষ ২৯ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত
ফি জমা দেয়ার সময় ৩০ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত
কলেজ নিশ্চায়ন সময় ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত
১ম মেরিটের ফল দেখুন এখান থেকে
মাস্টার্স ১ম পর্ব ভর্তির যোগ্যতা ২০২২
ক) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদী স্নাতক (পাস) নিয়মিত পরীক্ষায় সনাতন পদ্ধতিতে ন্যূনতম ৪৫% নম্বর অথবা গ্রেডিং ও ক্রেডিট পদ্ধতিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ২.২৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট / ভর্তিচ্ছু বিষয়ে (৪০০ নম্বর সম্বলিত) নূন্যতম ৪০% নম্বর থাকতে হবে বা 2.00 পয়েন্ট থাকতে হবে। নিম্নে ছক আকারে দেখুন :

শ্রেণি পাশের সন ন্যূনতম যোগ্যতা
স্নাতক (পাস) / ডিগ্রি ২০১৫-২০১৯ cgpa 2.25 / ৪৫% নম্বর
বি. দ্র. উপরে পাশের সন ২০১৯ দেওয়া থাকলেও যারা ২০২১ সালে ডিগ্রি পাশ করেছে অবশ্যই তারা এই প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবে। কেননা একাডেমিক নিয়ম অনুযায়ি ২০১৯, যদিও পরীক্ষা ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাছাড়া প্রশ্ন পত্রে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন কত সালের পরীক্ষা দিয়েছেন? আশাকরি বুঝেছেন।তবে চার বছর মেয়াদী স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় পাস ডিগ্রী প্রাপ্ত কোন শিক্ষার্থী এবং এক বছর মেয়াদী মাস্টার্স (প্রাইভেট) ১ম পর্ব / প্রিলিমিনারী টু মাস্টার্স (প্রাইভেট) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কোন শিক্ষার্থী এ ভর্তি কার্যক্রমে আবেদন করতে পারবে না।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীনে ২০১৪ হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদী অনার্স পরীক্ষায় পাস ডিগ্রী প্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থী, সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে (সনাতন পদ্ধতিতে) ন্যূনতম ৪৫% নম্বর এবং গ্রেডিং ও ক্রেডিট পদ্ধতিতে ন্যূনতম সিজিপিএ 2.25 পেলে প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পাবে।

বি. দ্র: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রী বা অন্য যে কোনো প্রোগ্রামে বর্তমানে অধ্যয়নরত কোনো প্রার্থী মাস্টার্স টু প্রিলিমিনারি টুু মাস্টার্স বা মাস্টার্স ১ম পর্ব (নিয়মিত) কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে না।
প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম

 

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মাস্টার্স (নিয়মিত) ১ম পর্বে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন সাতটি ধাপে সম্পন্ন হয়ে থাকে। আবেদন করার আগে নিম্নোক্ত কাগজপত্র বা তথ্যাদি সাথে রাখুন। প্রাথমিক আবেদন করতে যা যা লাগবে নিম্নরুপ :

স্নাতক (পাস) ও মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর।
এক কপি (সদ্য তোলা) পাসপোর্ট সাইয রঙ্গিন ছবি
একটি ইমেইল এড্রেস ও একটি মোবাইল নম্বর
পূরণকৃত একটি অঙ্গীকার নামা। নিম্নোক্ত লিংক থেকে অঙ্গীকার নামাটি ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি ও স্বাক্ষর দিয়ে একটি পিডিএফ ফাইল বানিয়ে আগে রাখতে হবে। অথবা আপনারা চাইলে নিম্নে দেওয়া পিডিএফ লিংক থেকে ফরম বের করে নিজ হাতে লিখে ফটো তুলে pdf ফাইল বানাতে পারবেন। নিম্নে আমি উভয় পদ্ধতিতে অঙ্গীকার নামা তৈরির নিয়ম বলব। ইন-শা-আল্লাহ!দ্বিতীয় ধাপ : ক্লিক করার পর যে পেইজ আসবে, সেই পেজে আবেদনকারীর স্নাতক (পাস) ও মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড এর নাম এবং পরীক্ষা পাসের দিন। তারপর Next বাটনে ক্লিক করুন।

তৃতীয় ধাপ : আবেদনকারীর স্নাতক (পাস) ও মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার তথ্য সঠিক হলে, সে তার স্নাতক (পাস) ও মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষার ফলাফলসহ সব তথ্য দেখতে পাবে। এবং নিচের দিকে আবেদনকারীর নামসহ তার পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ এবং লিঙ্গ অপশন দেওয়া থাকবে, সেই অপশন ভাল করে দেখবেন যে, কি দেওয়া আছে। (বি.দ্র. লিঙ্গ আর জন্মতারিখ ভুল থাকলে ঠিক করে নিতে পারবেন) তারপর Next বাটনে ক্লিক করুন।

চতুর্থ ধাপ : তারপর যে পেজ আসবে, সে পেজের একেবারে বাম দিকের প্রথম কলামে দেখতে পাবেন, Eligible Subject List দেওয়া আছে। এই তালিকা থেকে আপনি জানতে পারবেন যে, আপনি কি কি বিষয় নিয়ে মাস্টার্স নিয়মিত শেষ পর্বে পড়তে পারবেন।
তারপর দ্বিতীয় কলাম থেকে আপনাকে কলেজ নির্বাচন করতে হবে (উল্লেখ্য যে, শুধুমাত্র একটি কলেজে আবেদন করতে পারবেন)। এ জন্য আপনাকে প্রথমে বিভাগ নির্বাচন করতে হবে। তারপর জেলা নির্বাচন করতে হবে। এবং সব শেষে নিচের বক্স থেকে কাঙ্ক্ষিত বা ভর্তিচ্ছু কলেজের নাম নির্বাচন করতে হবে। (কলেজটি যে বিভাগ ও জেলায় অবস্থিত, সেসব বিভাগ ও জেলার নাম দিতে হবে)

এরপর আপনি কলামে Subject choice অপশন পাবেন এবং কোন সাব্জেক্টে কত সিত আছে, তাও ডান পাশে দেখতে পাবেন। এখন, আপনি যে সাবজেক্টি প্রথম চয়েজ দিবেন, সেটাতে প্রথমে ক্লিক করুন। তারপর, দুই নম্বরে যে সাবজেক্ট চয়েজ দিবেন, সেটাতে ক্লিক করুন। এভাবে একের পর এক সাবজেক্ট চয়েজ করতে পারবেন। (উল্লেখ্য, সাবজেক্ট চয়েজ খুভ সাবধানে দিবেন) । সাবজেক্ট চয়েজ করা শেষ হলে Next বাটনে ক্লিক করুন।

পঞ্চম ধাপ : এখন যে পেজ আসবে, তাতে কোটা দেওয়া থাকবে। আপনার যদি কোনো কোটা থাকে, তাহলে Yes অপশনে ক্লিক করে কাঙ্ক্ষিত কোটা সেলেক্ট করুন। আর, যদি কোনো কোটা না থাকে, তাহলে NO অপশনে ক্লিক করুন। তারপর NEXT বাটনে ক্লিক করুন।
ষষ্ট ধাপ : এখন যে পেজ আসবে, তাতে আবেদনকারীর একটি ছবি, একটি মোবাইল নম্বর এবং একটি ই-মেইল দেওয়া লাগবে। (এখানে ছবিটির উচ্চতা ১৫০ পিক্সেল, প্রস্থ ১২০ পিক্সেল, সাইজ ৫০ কেবি এবং ফরমেট png হতে হবে। আর, আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর হলে হতে এবং ই-মেইলও)।

সঠিকমত ছবি রিসাইজ করতে না পারলে এই আর্টিকেলটি দেখতে পারেন

সপ্তম ধাপ : এবার আপনাকে একটি অঙ্গিকারনামা আপলোড করে দিতে হবে। সে জন্য সবুজ কালালের download অপশনে ক্লিক করুন। এরপর এটা ফিলাপ করে স্ক্যান করে পিডিএফ বানাবেন। তারপর সেটা choose file এ ক্লিক করে আপলোড দিন। (অবশ্য ঐ অঙ্গিকারনামার একটি ফটোকপি রাখতে হবে)

তারপর preview application এ ক্লিক করে দেখুন যে, আপনার দেওয়া সব তথ্য সঠিক হয়েছে কি না। সব কিছু ঠিকঠাক হলে নিচে থাকা Submit Application এ ক্লিক করুন। তারপর পিডিএফ আকারে একটি ফাইল বা ফরম আসবে, তা ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড করার পর তা প্রিন্ট করে নিন।ফরমটি প্রিন্ট করার পর আবেদনকারী ফরমটিতে সাক্ষর দিয়ে নিম্নোক্ত কাগজপত্রসহ আবেদন ফি বাবত ৩০০/- টাকা কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু কলেজে জমা দিতে হবে। বি. দ্র. অনলাইন আবেদনে কোন ধরনের ভুল তথ্য উপস্থাপন করলে আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।

আবেদন ফরমের সাথে যা যা জমা দিতে হবে
প্রথমে প্রিন্ট করা প্রাথমিক আবেদন ফরমটির নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করতে হবে। তারপর, উক্ত আবেদন ফরমের সংগে
স্নাতক বা ডিগ্রি (পাস) পরিক্ষার সত্যায়িত নম্বরপত্র / মার্কশীট এবং স্নাতক বা ডিগ্রি (পাস) পরিক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত কপি।
এবং দ্বৈত ভর্তি সমর্কিত অঙ্গিকারনামার সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
প্রাথমিক আবেদন করার পর করণীয়
আবেদন ফরম জমা দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে আবেদনকারীকে তার মোবাইল নম্বরে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদনকারী ভর্তির জন্য নির্বাচিত হলে, সংশ্লিষ্ট কলেজ আবেদনকারীর প্রাথমিক আবেদন Online -এ নিশ্চায়ন করবে। তবে সে সকল আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে SMS -এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, প্রাথমিক আবেদন নিশ্চায়ন ব্যতীত কোন প্রার্থীই ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। কলেজে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার পরে প্রার্থী তার মোবাইল ফোনে SMS না পেলে বুঝতে হবে যে, তার আবেদন ফরম কলেজ কর্তৃক নিশ্চায়ন করা হয়নি। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চেক করতে হবে যে তার আবেদন নিশ্চায়ন করা হয়েছে কিনা।

তবে, প্রাথমিক আবেদন ফরম জমা দেওয়ার পর কলেজ থেকে প্রার্থীর মোবাইলে SMS না আসলে অনলাইন এর মাধ্যমে জানতে পারবেন যে আপনার আবেদন ফরম কলেজে জমা হয়েছে কি না। তা জানতে এখানে ক্লিক করুন

Check Also

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণ সংক্রান্ত সম্পূরক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। …